Showing posts with label ভালোলাগা লেখা. Show all posts
Showing posts with label ভালোলাগা লেখা. Show all posts

Wednesday, March 22, 2017

আজ কিন্তু বিশ্ব কবিতা দিবস

সুবোধ সরকার
২১ মার্চ, ২০১৭

কবিতা আবার কোন কাজে লাগে? কবিতার কোনও সেনসেক্স হয় না, কবিতার কোনও বাজার নেই। কবিতা কি এক ইঞ্চিও উপকার করতে পেরেছে মানুষের? জন্ম-মৃত্যু-বিবাহ— এই তিনটি সময়ে তিনটি ল্যাটিন শ্লোক আর তিনটি সংস্কৃত পদ্য প্রয়োজন পড়ে বটে, তবে তার জন্য একটা বিশ্ব-কবিতা দিবস? ‘ইউনেস্কো’ যখন প্রস্তাব দিয়েছিল, তখন এ ভাবেই প্রশ্ন উঠে এসেছিল কবিতার বিরুদ্ধে। আড়াই হাজার বছর আগে আরও মারাত্মক কথা উঠেছিল, কবিদের নির্বাসন দেওয়া হোক। যে প্রাচীন গ্রিসে কথাটা উঠেছিল, সেই গ্রিসই ছিল ইউরোপীয় কবিতার তলপেট।
একটা পেসমেকার যেমন কাজে লাগে, একটা হুইলচেয়ার যেমন কাজে লাগে, কবিতা কি তেমন কোনও কাজে লাগে? কবিতা লিখে তো কবিরা কিছুই পান না। টাকা নেই, পয়সা নেই, মান নেই, মর্যাদা নেই। এক ভাঁড় চা আর গলায় একটা ন্যাতা ছাড়া কবিদের কপালে কিছুই জোটে না। কবি-খ্যাতি? সে-ও তো আজ আছে, কাল নেই। তা হলে পৃথিবী জুড়ে পাঁচ শতাধিক ভাষায় কেন প্রতি দিন লেখা হয়ে চলেছে কবিতা? কবিতাই কি মনুষ্য প্রজাতির আদিমতম ও আধুনিকতম শিল্প যা মুদ্রাকে, টাকাকে, ক্যাপিটালকে তাচ্ছিল্য করে এল নিঃশব্দের তর্জনি দিয়ে?

Thursday, July 9, 2015

মধ্যবিত্ত বাবা

রাতে খাওয়ার পর বাবার সামনে দাঁড়িয়ে কাঁচুমাচু করে বলেই ফেলে,
" বাবা, আমার একটা এন্ড্রোয়েড লাগবে ! "
" দাম কত এ ফোনের ? "
" পনের বিশ হাজারের মতো ! "
.
দাম শুনে বড় একটা ধাক্কা খেলেও ছেলেকে বুঝতে দেন না বাবা ... তবু ছেলে খুশী থাক। ছেলেকে জাতে উঠাতে গিয়ে নিজে সেধে খাদে নামেন বাবা ...
.
মধ্যবিত্ত বাবাদের জুতোর তলা সবসময় ইতিহাসের সাক্ষ্য দেয় ...
ক্ষয়ে ক্ষয়ে ... সয়ে সয়ে ...
.
প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার পথে বাটার দোকানের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় নিজেকে স্মরণ করিয়ে দেন বাবা ... "চার বছর হয়ে গেলো, এ জোড়া জুতোকে এবার মাফ করা দরকার।"
.
জুতো কিনবো কিনবো করে ছোট ছেলের সেমিস্টার ফাইনাল চলে আসে, তিরিশ পঁয়ত্রিশ হাজার টাকার ব্যাপার... কিংবা ভার্সিটির ভর্তি কোচিং... নিজেকে বলেন, "ছেলের ক্যারিয়ার সবকিছুর আগে!"
.
অতঃপর আরও একবার প্রাগৈতিহাসিক জুতো জোড়া নিয়ে জুতোর ডাক্তারের কাছে দৌড়ায় মধ্যবিত্ত বাবা ... সে জুতো দেখে মুচিও নাক কুঁচকায় ...
"এ জোড়ায় আর কত বেলা যাবে, স্যার ? পকেটটা একটু খুলেন !"
.
শুনে যায় বাবা। কিছু বলে না। ছেলেটা সকালে টাকা নিয়ে গেলো... শীত এসেছে, জুতো কিনবে।
কি যেন নাম! কনভাস না ক্যানভাস ... যে ক্যানভাসে ছবি আঁকে, সে ক্যানভাস আবার কখন মানুষের পায়ের কাছে পৌঁছে গেলো, ভেবে পান না বাবা ...
.
মধ্যবিত্ত বাবাদের অবশ্য বুঝতে হয় না কখনো ... একটু আধটু বুঝতে গেলে বৌ, ছেলে কিংবা মেয়ের ধমক জোটে কপালে "তুমি আমার চেয়ে বেশী বোঝো ?"
.
মধ্যবিত্ত বাবারা তাই অবুঝের মতো দিয়ে যান ...
এভাবে দিতে দিতে একদিন বুকের বামপাশের ব্যাথাটা জেগে উঠে ... অবহেলায় অবহেলায় একদিন এনজিওগ্রাম করান বাবা ...
ধরা পড়ে, হার্টে নাকি জ্যাম, ব্লক টক ... !
.
রিং পড়াতে হবে ... সারাজীবন জ্যাম ঠেলে বাসে ঝুলে
হার্টেও জ্যাম লেগে যায় মধ্যবিত্ত বাবার ...
ঠিক যে মুহূর্তে নিজের হার্টে রিং পড়ানো নিয়ে টেনশন করা দরকার ... বাবার টেনশন লাগে মেয়েকে "রিং" পড়ানো নিয়ে ... তিনি মারা গেলে মেয়েটার বিয়ে দেবে কে?
.
রাজকন্যা ধরে আনে এক রাজপুত্রকে। সে রাজপুত্রের আবার ভীষণ ক্ষিদে ...
ঘর সাজানোর পাশাপাশি রাজপুত্র টুয়েন্টি টু ক্যারেটের ডায়মন্ডের আংটি আবদার করে ...
মেয়েও বলে, "দাও না, বাবা ! একটাই তো মেয়ে জামাই তোমার !"
.
রাজকন্যার রাজপুত্রকে ডায়মন্ডের রিং পড়াতে গিয়ে নিজের হার্টের রিং পড়ানোকে টঙ্গের ওপর তুলে রাখে মধ্যবিত্ত বাবা ... একটাই তো জামাই। বিয়ে হয় মহা ধুমধামে ... হাজার মানুষ মিলে গান্ডে পিণ্ডে খায়, হলুদে ব্যান্ড পার্টি আসে, লাল সুতো বের হয় বাবার ... তবু হাসিটা ধরে রাখেন ... !
.
তারপর একদিন ... সেই মুহূর্তটা আসে ... ব্যাথাটা জেগে উঠে ...
অবাক হন না বাবা ... জানতেন, অবহেলার শোধ নেয়া হবে ...
বেশীরভাগ সময় হাসপাতালের পথে থাকতে চোখ বন্ধ করেন বাবা, আর না হলে আইসিইউতে নিভে যায় সূর্যটা ... কিছু না বুঝেই ...
.
মধ্যবিত্ত বাবাদের হয়তো বুঝতে হয় না ... তাদের কাজ হল দিয়ে যাওয়া ... মধ্যবিত্ত বাবারা হলেন চলমান সুপার স্টোর। অ্যাগোরার জায়গায় বাবাদের বসিয়ে দিলেই হয় ...
.
মধ্যবিত্ত বাবারা সূর্য হন ... রোদ দেন ... আবার গাছকে টেনে তুলে ছায়া দেন, অক্সিজেন দেন।
আমরা সেই সূর্যের খেয়ে পড়ে চোখে একটা রোদচশমা লাগাই সূর্য থেকে পালাবার জন্য।
.
বোঝা যায় না ...
কিন্তু যেদিন দপ করে সূর্যটা নিভে যায়, সেদিন বোঝা যায় সূর্যগ্রহণ কাকে বলে ... !!!
Courtesy: ওয়ারিশ আজাদ নাফি

Monday, August 19, 2013

মৃন্ময় মিজান ফেইসবুক স্টেটাস

একটি আবৃত্তি সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকার কারণে নিয়মিতই নতুন নতুন ছেলে মেয়ের সাথে আমার পরিচয় ঘটে। তাদের অনেকের সাথে আমার বেশ ভাল সম্পর্ক তৈরি হয়। অনেকেই তাদের বাসায় আমাদের সংগঠন সম্পর্কে,আমার সম্পর্কে জানায়।

মাঝে মাঝে কারো কারো বাবা-মা আমাকে ফোন করে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলে। একবার একজন বেশ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার চিকিৎসা এবং থাকার ব্যাপারে আমি এবং আমাদের সংগঠন বেশ যত্নের সাথে কিছুদিন কাজ করেছিলাম। তার বাবা আমাকে ফোন করে বলেছিল, বাবা হিসেবে তার যেটা করার কথা ছিল সে কাজটা আমি করেছি। আমাকে, আমাদের সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জানান। কিছুদিন পর সেই সদস্য একটা মারাত্মক ভুলের সাথে নিজেকে জড়িয়ে নেয়। আমরা তাকে, তার ফ্যামিলিকে সে ব্যাপারে সাবধান করলেও তারা আর আমাদেরকে তাদের হিতাকাংখী মনে করেননি। সেটা আদৌ ভুল কিনা সেটাও অবশ্য তদন্ত সাপেক্ষ।

Saturday, April 13, 2013

বীচিওয়ালা বেগুনের চুলকানী

গোলাম মওলা রনি :

বীচি শব্দটি নিয়ে আমার অভিজ্ঞতা ভালো না। গ্রাম গঞ্জে দেখেছি পুরুষ মানুষেরা বীচি শব্দ শুনলে রাগ করেন। এক বয়স্ক মহিলার নিকট এক যুবক এসে বললো ও ভাবী সিমের বীচি আছে? শুনেই মহিলা ঝাড়– নিয়ে তেড়ে এলেন। শৈশবে দেখা এসব স্মৃতি এখনো মনে পড়ে, মজা পাই। কিন্তু কেনো পাই তা জানি না।


সম্প্রতি ফেইসবুকের একটি কমেন্ট নিয়ে জনৈক তরুণ বন্ধু আমার উদ্দেশ্যে বললেন, মনে হয় ইদানিং আপনি বেশী বেশী বীচিওয়ালা বেগুন খাচ্ছেন, তাই সারা শরীর বড্ড চুলকাচ্ছে! সর্বনাশ! ঘরে কথা পরে জানলো ক্যামনে! আমি যে জন্ম থেকেই বেগুন ভালবাসি এবং হয়তো একারণে আমার শরীর একটু এলার্জির ভাব আছে। তা বন্ধুটি জানলেন ক্যামনে? শ্রদ্ধা ও ভক্তিতে আমার দেহ মন বন্ধুটির পানে এমন ভাবে নতজানু হলো যেমনটি বাম ঘরনোর রাজনীতিবীদগণ সরকারের দিকে ঝুঁকেছে।

Saturday, March 30, 2013

আমাদের প্রিয় আতিক স্যার

শিক্ষকের ক্যাম্পাস
এখনো বই-ই সবচেয়ে আপন বন্ধু
অনার্স থেকে মাস্টার্স সব স্তরের শিক্ষার্থীদের আপন মানুষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এ এস এম আতিকুর রহমান। শত ব্যস্ততার মাঝেও শিক্ষার্থীদের সময় দিতে ভুলেন না তিনি। শিক্ষার্থীদের তিনি নিজের সন্তানের মতই দেখেন। শিক্ষার্থীরাও এ মানুষটিকে কখনো শিক্ষক, কখনো অভিভাবক আবার কখনো বন্ধু হিসেবে কাছে পায়। বিচিত্রগুণের অধিকারী, সদা হাস্যোজ্জ্বল, তারুণ্যে উদ্দীপ্ত, শিক্ষানুরাগী এই মানুষটির সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন - মো. জাবেদ হোসেন।
আপনার শিক্ষাজীবন কিভাবে কেটেছিল?

Tuesday, March 19, 2013

একটি জিলাপির প্যাঁচ টাইপের গল্পের শুরু হল যেভাবে

একটি জিলাপির প্যাঁচ টাইপের গল্পের শুরু হল যেভাবে

অফিসের বস সেক্রেটারি স্বর্ণাকে ডেকে বলল,
আমি ১ সপ্তাহের জন্য অফিস ট্যুরে সিংগাপুর যাচ্ছি। ঠিক করেছি তোমাকেও সাথে নিয়ে যাব... !! Lets enjoy... :)
স্বর্ণা তার স্বামী রোমেলকে ফোনে বলল,
রোমেল আমি ১ সপ্তাহের জন্য অফিসের কাজে সিংগাপুর যাব, তুমি ভাল ভাবে থেকো!
রোমেল তার গার্লফ্রেন্ড রিয়াকে ফোন করে বলল,
আমার স্ত্রী দেশের বাহিরে যাচ্ছে, বাসা খালি... তুমি এক সপ্তাহের জন্য চলে এসো.... !! Lets enjoy... :)
রিয়া তার ছাত্র পার্থকে ফোন করে বলল,
আমি এক সপ্তাহ busy থাকব, তোমার এই সপ্তাহ ছুটি। তুমি Enjoy কর !! :)
পার্থ তার বাবাকে ফোন করে বলল,
বাবা ! কাল থেকে আমার প্রাইভেট সাতদিনের জন্য বন্ধ। তুমি এই সাতদিন কোথাও যেতে পারবেনা... তোমার সাথে অনেক মজা করব !!
Lets enjoy... :)
ছেলের ফোন পেয়ে বাবা অফিসের সেক্রেটারিকে বলল,
স্বর্ণা, আমার আরো একটি Important কাজ এসেছে, এই সপ্তাহে সিংগাপুর যাওয়া হবে না। Tour cancel... !!
স্বর্ণা তার স্বামী রোমেলকে ফোনে তখনইবলল,
আমি কোথাও যাচ্ছি না। Tour cancel হয়েছে। তোমার আর একা একা থাকতে হবে না।
Lets enjoy... :)
রোমেল তার গার্লফ্রেন্ড রিয়াকে সঙ্গে সঙ্গে ফোন করে বলল,
এই শুনো, আমার স্ত্রী কোথাও যাচ্ছে না তাই তোমার আর কষ্ট করে আসতে হবে না !!
তাই শুনে রিয়া তার ছাত্র পার্থকে ফোন করে বলল,
আমার যেই কাজ ছিল সেটা আর করতে হচ্ছে না, তাই তুমি কাল সকাল থেকে যথারীতি পড়তে আসবে !!
পার্থ তৎক্ষনাৎ তার বাবাকে ফোন করে বলল,
বাবা আমি এই সপ্তাহে আর ফ্রি হতে পারলাম না !
কারণ প্রাইভেট ম্যাডাম যেতে বলেছে। সামনে পরীক্ষা, অনেক পড়তে হবে !!
সাথে সাথে পার্থর বাবা স্বর্ণাকে ফোন করে বলল,
আমার যে অন্য Important কাজ ছিল সেটা তোমার জন্য cancel করেছি, চল কাল সিংগাপুর যাব !
আজই প্রস্তুত হয়ে নাও ! Lets enjoy... :)
আর এভাবেই তারা Enjoy এর মাধ্যমে বসবাস করিতে থাকিলো !!

Courtesy- Zaki Aref Ahamed